moner khata

লেখার খাতা
আপনার স্বরচিত কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, আঁকা ছবি বা ক্যামেরার লেন্সে ধরা পড়া বিশেষ কোনো মুহূর্ত তুলে ধরুন বিশ্ববাসীর সামনে । আপনার লেখা বা আপনার ক্যামেরার লেন্সে ধরা পড়া বিশেষ কোনো মুহূর্তের ছবি পাঠানোর জন্য নীচের ফর্মটি পুরন করুন 

লেখার খাতা-

আপনার লেখা ছবি সহ জমা করুন এখানে অথবা ইমেল করুন helpdeskgbalive@gmail.com এই ঠিকানায়, অথবা whatsApp করুন-9474811044

এখানে আপনার নির্দিষ্ট ফাইলটি আপলোড করুন

আপনার ফাইল এখানে আপলোড করুন

 

 

 

কবিতা - পরশ কাঠি
সুমন্ত দাস।
ডেবরা, পশ্চিম মেদনীপুর।

বসন্তের এক সোনা ঝরা দিনে হঠাৎ দেখা তোমার সনে ।
তুলো মেঘের কল্পনা বনে সবুজ শ্যামল সরস জীবনে।
শীতল বাতাস মধুরতা কানে ঢেউ খেলে যায় বাতাস ধানে।
আনন্দে নাচে ওলিরা বনে ভ্রমরা সুর ভাসে কানে।
কোকিলের সুর কোকিলা শুনে ছুটে আসে হৃদয়ের টানে।
মৌমাছিরা খেলা করে বাতায়নে আম্র গন্ধে পিয়াসী যৌবনে।
কৃষ্ণচূড়া সনে প্রেম নিবেদনে উষ্ণতা ছড়িয়ে কোমল প্রানে।
হরিণী বেশে আমার স্পটে মম সর্বনাশ তোমা নয়নে ।
পুষ্পটিত ফুল নাহি জানে তোমার হাসি সম মানে।
উল্লসিত হৃদয় অথই মনে চোখ নাহি সরে তোমা মুখ পানে।
কাটিতে নাহি চায় তুমি বিনে প্রেম এল বুঝি এই ফাল্গুনে।।
[/dropshadowbox]

ভাবনা এখন ভাব আনাঃ
শচীন রানা।

শোন শুধূ আমার জন‍্য নয়। আর তাই এত বেদনায় তোমার মুখ পানে চেয়ে থাকা। আমি ক্ষত বিক্ষত মুখে হাসি নিয়ে কত বল আর অভিনয় করে যাব। তবু চাও তুমি মেঘে ঢাকা তার কষ্টের কথা থাক। তুমি জানি আমার থেকেও শক্ত আর প্রান উচ্ছাস যত দুঃখ ই কালকের থেকে আজকে না চাওয়া ভাবনায় সেটা দুরে যাক। আজকের হাসি আনন্দের বাঁশি সুর মুর্ছনায় ভরে থাক। তুমি তো আমার বিরাট পাওয়া।

show more

তাই ভয়ে থাকি। হারাবার ভয়। সেটা নিশ্চয়।যদি না সেটা ভেবে থাকি। তবে তোমার মেঘে ঢাকা সূর্যের কথা উজ্বল হয় মুখ। সব ভুলে গিয়ে আর না বলা কথায় কাঁদব না ঘুরিয়ে নেব অভিমুখ। তোমার জন‍্যে তাই হয়েছি হন‍্যে প্রতিদিন প্রতি রাতে মন ভরে যায় অনুভবি চোখের তারায় তুমি কন‍্যে তোমার জন‍্যে প্রত‍্যন্ত প্রদূষ তবু সেটা রজনীতে তোমার আঁখি পাতে। আমি তোমাকেই জানি তোমাকেই চিনি আর কোন কিছু জানিনা। যা বলিতে চাও তাড়াতাড়ি বল প্রভাতের সূর্য এখন উঁকি মারে মেঘের ফাঁক ফোঁকোরায়।

show less

বিশিষ্ট উপহারঃ
শচীন রানা। (সৌঃ প্রিয় এক কবির কবিতা)

কি উপহার দিতে চাও তুমি ছুঁতে দিয়ে পাহাড়ের উঁচু চূড়া। উপভোগ‍্য স্নিগ্ধ উপত‍্যকার শীতলতা আর গহন অরন‍্যের গভীরে গুহা গর্ভের অধিকার। আবহান হ্রদের উষ্ণতম স্রোতে শীত মুছে দেওয়া স্নান। অনুভব মালভুমির রুক্ষতায়। আরো আরো কত কি সব দিতে চাও তুমি। কেন কিসের কারনে কি হয়েছে তোমার? বাহুলতাকে করোনা ফাঁসির রজ্জু বা বিশেষ তৈয়ারি ফাঁদ। 

show more

যে তোমাকে এরপরেও ভালবাসতে চায় সে জানবে এত বেশী অপমানেও হবে না রক্তাত কখনো। জাবরের যন্ত্রনায় অপূর্ব মন্থনে তার নির্বাক অনুপম ভালবাসা।। তুমি কবি কবিতাতে রেখ নিশ্চুপ অভিলাষ।। দেহবাদ দিয়ে ভাষায় এনো না কবির সর্বনাশ।।

show less

ফিরায়ে দিও না মোরে
শচীন‌ রানা।

বন্ধু তোমার স্বপ্নে ফেরার সাথি হয়ে আমি থাকাব। তুমি কোথা চলে গেলে ঠিকানা হারিয়ে আমায় নেবে বলে আর ফিরে কেন যে এলে না জানি না। তোমার ডাকে সেদিন সকাল বেলা। এখনো মনে আছে। লিখেছিলাম এ হেন সকাল বেলা ঘুম ঘোরে তূমি ওঠনি এখন ও রাত জেগে থাকা সময় এ হেন। যাক তবে যাক সব দুরে যাক। থাক শূধু ভালবাসা।।

show more

ব‍্যাক্তি ছাড়িয়ে নট বা নটির চলবে ই যাওয়া আসা। আজ আছি আমি বা তূমি কাল হবে অন‍্য কেউ। সকলের তরে এস না আমরা রেখে যাই সুখ ঢেউ। ভালবেসে যদি ডেকে যাও নিশ্চয় আসা যায়। বলে যাই তূমি আছ আমি আছি এখানে সব্বাই। মাটির উপর আকাশের বুকে স্বর্গের সীমানায়।।

show less

 

স্বরচিত কবিতা

অভিষেক কারক
গড়বেতা, পশ্চিম মেদিনীপুর

দেবপ্রিয়া তোমায় একটি চিঠি এই যে শুনছ....... অন্তঃপুরের মেয়ে, তুমি সাধারন না অসাধারণ,- কি আসে যায় তাতে।। আমার চোখ তো, সাধারন নয় রে মেয়ে, এইটুকুতেই পারবি থাকতে খুশি হয়ে? আরে, শোনোই না.........এলোমেলো মেয়ে, তুমি কালো না সাদা,- কি আসে যায় তাতে।। তোর কালো চোখেই সব পেতে চাই, পারবি হতে আমার সই? ওগো দাঁড়াও, শোনো.........খামখেয়ালি মেয়ে, তোমার জামা পুরোনো না নতুন,- কি আসে যায় তাতে।। শুধু ওই হাসিটাই থাকিস পরে, দেখবো আমি মন ভরে। আরে ও মেয়ে, পালাও কেনো......... শোনোই না— আবার যে করছি আমি দুঃখবিলাসিতা।

show more

ডুব দিয়েছি তোর চোখেতে, তোর ঠোঁটেতে, ঐ হাসিতে— আছে যে সব সুখ। বন্দি আমি তোর চুলেতে, তোর গালেতে, ঐ তিলেতে— ভুলবো না তোর মুখ।। এই তো সবে শুরু হলো, সব হারানোর পালা; দেবতাদের প্রিয়া যে তুই, ভুলতে তোকে মানা।। আরো আছে, বলি শোনো— আমার, স্বপ্নবিলাসিতা,— তোমার চোখের কালোতে দেখি গভীর রাতের শিলাবতী। তোমার ঠোঁটে খেলা করে, তার চপল-চরণ গতী। তোমার ভুরুর ঢেউয়ে আছে, গনগণীর রুদ্র রূপ। তোমার চুলেই পাই যে আমি, গহীন বনের বন্য সুখ।। বৃথা স্বপ্ন জানি—তবু কি যে করি...... মন যে হলো কবি, তাকে কি আর ধরতে পারি।। থাকি যে আমি অনেক দূরে; ফারাক তোমার আমার সুরে। মোটে তো মাস দুয়েক আর; তারপরেতেই যাব ও-পার।। আর কদিন পরে, আসবে যখন প্রেমের ফাগুন; তেপান্তরের পলাশ বনে লাগবে যখন শীতল আগুন; তখন আমি, পাগল হব। তোর প্রেমেতেই, বৈরাগ্য নেবো। যদি কখনো পড়ে মনে;- এই কবিতায়,খেলার ছলে,আজ নয়,হয়তো কোনো একদিন,-বিছানায়-বালিশে,যখন তোমার রাত-ভোর স্বপ্নময়—পারবে তাতে, করতে তোমার জীবন আমি-ময়?

show less

 

কবিতা - কী দেখছি ?
অজয় ব্যানার্জী,
ঝাড়বনী, পশ্চিম মেদনীপুর।

ঞ্জানী হচ্ছে অপমানিত গুনী হচ্ছে দোষী
সত্য যাবে নির্বাসনে মিথ্যা হচ্ছে বেশী
লজ্জা উড়ছে আকাশেতে সরম খাচ্ছে মান
অজাতেরা জাতে উঠেছে, থাকবে নাকো মান
ঞ্জানীরা সব চুপসে যাবে ঞ্জানহীনদের কাছে
বিদ্যানেরা এই কথাটি সত্য বলে গেছে।

ভাবনা এখন ভাব আনাঃ
শচীন রানা।

শোন শুধূ আমার জন‍্য নয়। আর তাই এত বেদনায় তোমার মুখ পানে চেয়ে থাকা। আমি ক্ষত বিক্ষত মুখে হাসি নিয়ে কত বল আর অভিনয় করে যাব। তবু চাও তুমি মেঘে ঢাকা তার কষ্টের কথা থাক। তুমি জানি আমার থেকেও শক্ত আর প্রান উচ্ছাস যত দুঃখ ই কালকের থেকে আজকে না চাওয়া ভাবনায় সেটা দুরে যাক। আজকের হাসি আনন্দের বাঁশি সুর মুর্ছনায় ভরে থাক। তুমি তো আমার বিরাট পাওয়া।

show more

তাই ভয়ে থাকি। হারাবার ভয়। সেটা নিশ্চয়।যদি না সেটা ভেবে থাকি। তবে তোমার মেঘে ঢাকা সূর্যের কথা উজ্বল হয় মুখ। সব ভুলে গিয়ে আর না বলা কথায় কাঁদব না ঘুরিয়ে নেব অভিমুখ। তোমার জন‍্যে তাই হয়েছি হন‍্যে প্রতিদিন প্রতি রাতে মন ভরে যায় অনুভবি চোখের তারায় তুমি কন‍্যে তোমার জন‍্যে প্রত‍্যন্ত প্রদূষ তবু সেটা রজনীতে তোমার আঁখি পাতে। আমি তোমাকেই জানি তোমাকেই চিনি আর কোন কিছু জানিনা। যা বলিতে চাও তাড়াতাড়ি বল প্রভাতের সূর্য এখন উঁকি মারে মেঘের ফাঁক ফোঁকোরায়।

show less

অভিষেক কারক
দেবপ্রিয়া তোমায় একটি চিঠি এই যে শুনছ....... অন্তঃপুরের মেয়ে, তুমি সাধারন না অসাধারণ,- কি আসে যায় তাতে।। আমার চোখ তো, সাধারন নয় রে মেয়ে, এইটুকুতেই পারবি থাকতে খুশি হয়ে? আরে, শোনোই না......... এলোমেলো মেয়ে, তুমি কালো না সাদা,- কি আসে যায় তাতে।। তোর কালো চোখেই সব পেতে চাই, পারবি হতে আমার সই? ওগো দাঁড়াও, শোনো......... খামখেয়ালি মেয়ে, তোমার জামা পুরোনো না নতুন,- কি আসে যায় তাতে।। শুধু ওই হাসিটাই থাকিস পরে, দেখবো আমি মন ভরে। আরে ও মেয়ে, পালাও কেনো......... শোনোই না— আবার যে করছি আমি দুঃখবিলাসিতা।

show more

ডুব দিয়েছি তোর চোখেতে, তোর ঠোঁটেতে, ঐ হাসিতে— আছে যে সব সুখ। বন্দি আমি তোর চুলেতে, তোর গালেতে, ঐ তিলেতে— ভুলবো না তোর মুখ।। এই তো সবে শুরু হলো, সব হারানোর পালা; দেবতাদের প্রিয়া যে তুই, ভুলতে তোকে মানা।। আরো আছে, বলি শোনো— আমার, স্বপ্নবিলাসিতা,— তোমার চোখের কালোতে দেখি গভীর রাতের শিলাবতী। তোমার ঠোঁটে খেলা করে, তার চপল-চরণ গতী। তোমার ভুরুর ঢেউয়ে আছে, গনগণীর রুদ্র রূপ। তোমার চুলেই পাই যে আমি, গহীন বনের বন্য সুখ।। বৃথা স্বপ্ন জানি— তবু কি যে করি...... মন যে হলো কবি, তাকে কি আর ধরতে পারি।। থাকি যে আমি অনেক দূরে; ফারাক তোমার আমার সুরে। মোটে তো মাস দুয়েক আর; তারপরেতেই যাব ও-পার।। আর কদিন পরে, আসবে যখন প্রেমের ফাগুন; তেপান্তরের পলাশ বনে লাগবে যখন শীতল আগুন; তখন আমি, পাগল হব। তোর প্রেমেতেই, বৈরাগ্য নেবো। যদি কখনো পড়ে মনে;- এই কবিতায়, খেলার ছলে, আজ নয়, হয়তো কোনো একদিন,- বিছানায়-বালিশে,যখন তোমার রাত-ভোর স্বপ্নময়— পারবে তাতে, করতে তোমার জীবন আমি-ময়?।

show less


স্বাধীনতা-----71
সুনীল কুমার মণ্ডল

একটা গল্প বলি শোনো।এক বৃদ্ধার-- দুখিনীর।বৃদ্ধাকে পুত্ররা ত্যাগ করেছে।দীন-হীন, অথর্ব, ছেঁড়া সাজ।প্রায় অভুক্তা।ছেলেদের দয়ায়ই বেঁচে থাকা।এ ছেলে ভাবে ও খেতে দেবে , ও ভাবে সে দেবে।এই ভাবনাই কাল হল বৃদ্ধার।অনেক দিন খাওয়াই জুটল না ।ছেলেরা জানতে পেরে আবার কুম্ভীরাশ্রু।দিন কতক ভালো।আবার যেই কে সেই।বৃদ্ধার সব ছেলে নরপিশাচ নয়।যে ছেলেরা শারীরিক দিক দিয়ে দুর্বল, তারাইতো খেতে পায় না।তবুও তারা মাকে দেখতে চায়, সেবা করতে চায়।তাতে যে প্রভাবশালীদের মান যায়।আসলে মায়ের সব সম্পদ লুটে পুটে নিয়েছে প্রভাবশালী ছেলেরা।অন্য ভাইদের পাত্তাই দেয় না।মাও নিজের ছেলেদের কাণ্ড দেখে

show more

মর্মাহত, লজ্জিত।ভাবেন এদেরই আমি পেটে ধরেছিলাম।অথচ একদিন ছিল প্রতিবেশীরা যখন মাকে অপমান করত, নির্যাতন করত, তখন প্রভাবশালী ছেলেরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল।যে ছেলেরা রুখে দাঁড়িয়েছিল তারা আজ মৃত অথবা নিখোঁজ।অন্য ছেলের সামনেই প্রভাবশালী ছেলেরা মায়ের উপর অত্যাচার চালায়।দুর্বল ছেলেরা প্রতিবাদ করতে পারে না।করলেই মিথ্যে মামলায় জেলে পাঠায়, নয়তো গুপ্ত হত্যা করে।বহু দিন পর বের হয় কংকাল আর কংকাল।প্রভাব ,ক্ষমতা ঐ ছেলেদের স্বৈরাচারী করে তোলে।অর্থনৈতিক জালিয়াতি, খুন, বৃদ্ধা মাকে নির্যাতন করার দায়ে অভিযুক্ত।কিন্তুপ্রভাব খাটিয়ে , আইনের চোখেধূলো দিয়ে বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়ায়।মা ভাবে কীভাবে শাস্তি পাবেঐ ছেলেগুলো।মা দুর্বল ছেলে গুলোকে বোঝায়-\" তোরা এক না হলে ওরা শাস্তি পাবে না, শাস্তি না পেলে আমিও শান্তি পাবো না।ওরা ক\' জন তোরাইতো বেশী।\" মায়ের ইচ্ছা সব ছেলে সমান ভাগ নিয়ে সুখে থাকুক।আসলে এ মা যে \' স্বাধীনতা একাত্তর\'।

show less

কবিতা পরশ কাঠি
সুমন্ত দাস

বসন্তের এক সোনা ঝরা দিনে হঠাৎ দেখা তোমার সনে । তুলো মেঘের কল্পনা বনে সবুজ শ্যামল সরস জীবনে। শীতল বাতাস মধুরতা কানে ঢেউ খেলে যায় বাতাস ধানে। আনন্দে নাচে ওলিরা বনে ভ্রমরা সুর ভাসে কানে। কোকিলের সুর কোকিলা শুনে ছুটে আসে হৃদয়ের টানে। মৌমাছিরা খেলা করে বাতায়নে আম্র গন্ধে পিয়াসী যৌবনে। কৃষ্ণচূড়া সনে প্রেম নিবেদনে উষ্ণতা ছড়িয়ে কোমল প্রানে। হরিণী বেশে আমার স্পটে মম সর্বনাশ তোমা নয়নে । পুষ্পটিত ফুল নাহি জানে তোমার হাসি সম মানে। উল্লসিত হৃদয় অথই মনে চোখ নাহি সরে তোমা মুখ পানে। কাটিতে নাহি চায় তুমি বিনে প্রেম এল বুঝি এই ফাল্গুনে।।

 

ছবিটি পাঠিয়েছেন মঙ্গল মণ্ডল[/caption]

 

ছবিটি পাঠিয়েছেন শুভদ্বীপ মণ্ডল[/caption]







 




error: